অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া এবং স্মার্ট ফোন ব্যবহার করার ক্ষতিকর দিকসমূহ

বর্তমানে কম বেশী সকল মানুষেরই স্মার্টফোন ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম কয়েকটি প্রধান কাজের মধ্যে একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বেশিরভাগ মানুষই বলা যায় প্রায় সকলেই অল্প কিছু ব্যবহারকারী ছাড়া প্রত্যেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় একটিভ থাকে।

অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া এবং স্মার্ট ফোন ব্যবহার করার ক্ষতিকর দিকসমূহ

 

তবে স্মার্টফোন ব্যবহার করা এবং সোশ্যাল মিডিয়া একটিভ থাকা সহ ইন্টারনেট ব্রাউজ করা কোনো ক্ষতি করে বিষয় নয় তবে এটা অবশ্যই সঠিক ভাবে করতে হবে এবং সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে অতিরিক্ত করলে এর অনেক গুলো ক্ষতিকর দিক লক্ষ্য করা যায়।

এখন প্রায় সব শ্রেণি-পেশার এবং সকল বয়সের মানুষের স্মার্টফোন ব্যবহার করে এবং সোশ্যাল মিডিয়া সহ ইন্টারনেটে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় ব্যয় করে বলা যায় দিনের বেশিরভাগ সময়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকে।

পাশাপাশি কম বয়সী শিশুদের জন্য একটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ক্ষতিকারক যা ভবিষ্যতে তাদের উপরে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে মানসিক শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি সহ দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন এর মত নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে শুধু সম্ভাবনা পর্যন্ত থেমে নেই বর্তমানে নানারকম সমস্যা হচ্ছে শিশুদের স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারণে কিন্তু অভিভাবকরা সচেতন থাকলে এরকম সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

 

তবে দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে বর্তমানে বেশিরভাগ অভিভাবকরাই বাচ্চাদের শান্ত করতে এবং কান্নাকাটি করলে খেলনা হিসেবে স্মার্টফোন হাতে তুলে দিচ্ছে তবে বাচ্চা রাতে কান্না কাটি থামিয়ে শান্তভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে বসে স্মার্টফোন ব্যবহার করছে যা অভিভাবকদের কাছে সঠিক মনে হলেও আসলে এটা খুবই ক্ষতিকারক হতে পারে বাচ্চাদের জন্য।

আমরা বর্তমানে আধুনিক যুগে বসবাস করছি এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে স্মার্টফোন ইন্টারনেট সোশ্যাল মিডিয়া এগুলো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা তো আর সম্ভব নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় এগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তবে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় এবং সঠিকভাবে অবশ্যই ব্যবহার করা দরকার অন্যথায় এর কুপ্রভাব ব্যবহারকারীদের ভিতরে পরে।

 

এর ফলে দেশ ও সমাজ দুটোই দিনে দিনে ধ্বংসের সম্মুখীন হচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব এবং এর অপব্যবহার এর ফলে মানুষের জীবনে বড় বড় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে যা সামান্য কিছু ভুলের কারণে। বড় বড় ভুলের ক্ষেত্রে আরো বড় বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তবে সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এর কোনো ক্ষতিকর দিক নেই।

তাই অবশ্যই ইন্টারনেট এবং স্মার্ট ফোন ব্যাবহার করার ক্ষেত্রে আমাদের সকলের সতর্ক হওয়া উচিত এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরো পড়ুন… দেশের চার মুঠোফোন অপারেটরদের ফাঁকিবাজি এবার বিটিআরসির জরিপে দেখা গেল

শুধু শিশুরা নয় বর্তমানে বয়স্ক এবং প্রাপ্তবয়স্ক যুবক-যুবতী সহ কিশোর-কিশোরী সকলেই স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটের প্রতি আসক্ত হচ্ছে এবং তাদের এই আসক্তি মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে।

যার ফলে বর্তমানে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সকলেই শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে পাশাপাশি ক্ষতি হচ্ছে সমাজের এবং সাধারণ মানুষের।

এক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই সঠিক মাত্রায় এবং সতর্কতার সাথে এবং সততার সাথে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করা উচিত তাহলে অনেক কিছু বদলে যাবে।

 

যারা স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের প্রতি অবশ্যই অনুরোধ থাকবে এগুলোর সঠিক মাত্রায় এবং সঠিক নিয়মে ব্যবহার করার জন্য এবং কিছু নির্দিষ্ট সময়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন অতিরিক্ত সময় ধরে ব্যবহার করলে এর ক্ষতিকর প্রভাব আপনার উপরে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Leave a Comment