বাজারে ইলেকট্রিক বাইক নিয়ে এসেছে অলটন, প্রতি কিলোমিটারে খরচ ১০-১৫ পয়সা

এবার বাজারে নিয়ে এলো স্থানীয় গ্রাহকদের জন্য একের পর এক অত্যাধুনিক পণ্য। এবং আমাদের দেশের শীর্ষ এখন প্রযুক্তিপণ্য এবং উৎপাদনকারী হিসেবেপ্রতিষ্ঠানটি খুবি পরিচিতি লাভ করছে। সুতরাং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। আমাদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এবং আমাদের সবার মাঝে ওয়ালটন গ্রুপের এ অঙ্গপ্রতিষ্ঠান টি আজ এই আসন্ন নতুন পণ্যের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করতে সক্ষম হয়েছে। যেহেতু ইলেকট্রিক বাইক অথবা স্কুটার এই বাইক মানুষ যাতায়াত করে এবং মানুষের প্রতি কিলোমিটার পথ চলাচল করতে খরচ হবে খুবই কম মাত্র ১০-১৫ পয়সা। 

বাজারে ইলেকট্রিক বাইক নিয়ে এসেছে অলটন, প্রতি কিলোমিটারে খরচ ১০-১৫ পয়সা


আমরা জানি যে ইতোমধ্যে আমাদের এই বাজারে ওয়ালটনের ই-বাইক নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে খুবই আনন্দ এবং উৎসাহ দেখা দিয়েছে মানুষ এখন অধীর আগ্রহে করে বাইকটির মার্কেটে আসার জন্য প্রহর গুনতেছি।

এবার আমরা ওয়ালটন সূত্রে দরে জানতে পারবো নতুন এই ক্যাটাগরির পণ্যের ব্র্যান্ডের নাম তাকিওন যা আমাদের অনেকের কাছেই অজানা। আর এই অজানাকে সবার সামনে খুব শীঘ্রই আসতে চলেছে আর এটি তাকিওন নামেই মার্কেটে প্রচার করা হবে। যেহেতু এটা প্রাথমিকভাবে প্রথমত দুই মডেলের হয়ে থাকবে।


এবার আমাদের সবার মাঝে ইলেকট্রিক বাইক মার্কেটে ছাড়বে ওয়ালটন। তাই এগুলোর নাম হবে তাকিওন ১.০০ এবং তাকিওন ১.২০। এখন ওয়ালটন এই বাইক দুটির দাম নির্দিষ্ট করে কিছুই জানানো হয়নি। সুতরাং আমাদের দেশীয় ক্রেতাদের বাইক ক্রয় ক্ষমতা সামর্থ্য অনুযায়ী সাশ্রয়ী মূল্যে ই-বাইক মার্কেটে নির্ধারিত হবে।

তাকিওন এবং ইলেকট্রিক বাইকের প্রোডাক্ট ম্যানেজার যে ব্যক্তি তার নাম হলো কায়কোবাদ সিদ্দিকী এর সাথে আলোচনা করে একথা জানা যায় যে এই প্রোডাক্টটি সবার কাছে খুবই আকর্ষণীয় ডিজাইন এবং খুবই মুগ্ধ করে তাকিওন এই ১.০০ মডেলের ই-বাইকে খুবই শক্তিশালী এই বাইক ই বাইকে ১.২ প্রায় কিলোওয়াট হাব মোটর এই ই বাইকে ব্যবহৃত করা হয়েছে।


নতুন এক প্রযুক্তির গ্রাফিন লেড ই বাইকে ব্যাটারি হিসেবে যা ব্যবহার করা হয়েছে তার নাম হলো এসিড ব্যাটারি। যদি আপনি একবার এসিড ব্যাটারি তে ফুল চার্জে দিন তাহলে এই বাইকটি ৬০ থেকে-৭০ কিলোমিটার পথ চলাচল করতে পারবেন। ই বাইকে গতিবেগ হবে ঘণ্টায় প্রার ৫০ কিলোমিটার।সুতরাং অন্যদিকে এখন তাকিওন ১.২০ মডেলের ই বাইক এখন অনেকেই ব্যবহৃর করছে আমরা জানি যে বিশ্বের শীর্ষ মোটর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি বশ এর মোটর ই বাইক এর পোর্টেবল লিথিয়াম এর ব্যাটারির ওজন হবে প্রায় ৯ কেজির মতন যার ফলে আমরা এটি খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারব। 


ই বাকটি এক চার্জে আমরা চাইলে ৫০-৬০ কিলোমিটার এর দূরত্ব পথ পারি দিতে পারব। এই বাইকটি গতিবেগ প্রায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৫ কিলোমিটার এর মত।

আমরা জানি যে তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকে রয়েছে পোর্টেবল এর চার্জার। এই বাইকটি তে আমরা চাইলে যে কোন গৃহে ব্যবহৃত ২২০ ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইন থেকেই বাইকে চার্জ দিতে পারব। তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকটি প্রায় পারফরমেন্স প্রচলিত ১০০ সিসি বাইকের মতো। এখানে দুই মডেলের ব্যবহৃত হয়েছে একটি হলো ডুয়াল হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক আর অন্য টি হলো, টিউবলেস টায়ার, ও এলসিডি স্পিডোমিটার এবং এলইডি লাইটিং ইত্যাদি।

 তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকের জনসাধারণের যাতায়াত ব্যবস্থা এবং জনসাধারণের পথ খুবই সহজ করতে বিকল্প নেই বললেই চলে। আমরা অনেকেই অতিরিক্ত পেট্রোল যাওয়ার ফলে বাইক চালাতে অনীহা প্রকাশ করি এই জন্যে এই তাই আমাদের সবার কাছে স্বল্পমূল্যে মোটরযান পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই প্রচেষ্টা করছে। আমরা যদি একবার তাকিওন ই-বাইক রিচার্জ করে তাহলে ৫০থেকে-৬০ কিমি. যাতায়াত করতে পারবো। 
আমরা অনেকেই জানি যে বর্তমানে বাজারে এক লিটার অকটেনের বাজারমূল্য প্রায় ৮৯ টাকার মতো। যা দিয়ে আমরা একটি ১০০ সিসি বাইক সর্বোচ্চ ৫০ থেকে -৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারব। অন্যদিকে জানা যায় যে তাকিওন ই-বাইকে প্রায় সমপরিমাণ এর মতো দূরত্ব অতিক্রম করতে খরচ হবে মাত্র ৭- থেকে ৮ টাকার মতো। সুতরাং প্রতি কিলোমিটারে আমাদের খরচ হবে মাত্র ১০- থেকে ১৫ পয়সার মতো।
 এছাড়া ও প্রচলিত পেট্রেলচালিত বাইকের মতো আমাদের তাকিওন ই-বাইকের প্রতিদিন রক্ষণাবেক্ষণ খরচও করতে হবে না। একদিকে এই বাইকটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী, এবং পরিবেশ দূষণ করবে না তাছাড়াও তেলের বিকল্প হিসেবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করায় আমাদের পরিবেশ ভালো রাখবে।

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হলো এস এম রেজাউল আলম তিনি বলেন বর্তমানে আমাদের দেশে ইলেকট্রিক যানের জনপ্রিয়তা খবর বেশি উচ্চ স্থানে না গেলেও অন্যান্য উন্নত দেশে টেসলাসহ ইলেকট্রিক যানবাহনের জনপ্রিয়তা অনেকটাই বেশি বাংলাদেশ। ভবিষ্যতে আমাদের বাংলাদেশ নানান জায়গায় খুব তাড়াতাড়ি সময়ে ব্যাটারি চার্জের জন্য ফাস্ট চার্জিং স্টেশন স্থাপন করার পরিকল্পনা করছে। এখন থেকে আশা করা যায় যে ই বাইকের ফলে আমাদের যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই সহজ হবে। এবং বিভিন্ন জায়গায় চলাচল করা যাবে।

ওয়ালটন ডিজি-টেক এর ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উপ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলো প্রকৌশলী লিয়াকত আলী তিনি বলেছেন আমাদের এই সবুজ পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে আমরা এই ধরনের কাজের উদ্যেগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা অনেক প্রডাক্ট যেমন ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপে এক্সচেঞ্জ অফার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। আমাদের এই দেশীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য ওয়ালটন মূল লক্ষ্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

আরো পড়ুন…  এবার ব্লুটুথ স্পিকার ( হাভিট এমএক্স ৭০১) রিভিউ


এখন আমরা জানবো যে উল্লেখ্য, ইলেকট্রিক যানের নিবন্ধন সংক্রান্ত আমাদের বাংলাদেশ সরকার কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় বিগত যে মোটরযান বাজারজাত করা হলেও গ্রাহকদের উপর আস্থা এবং বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। যার ফলে ২০২০ সালের এক গেজেটে আমাদের দেশে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষরা বিআরটিএ ইলেকট্রিক যানবাহন এর নিবন্ধনের নীতিমালা জারি করেন। 
সুতরাং যার আমরা এখন তাকি ওয়ান ইলেকট্রনিক বাইক এর উপর আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে পারব এবং এই বাইকে জটিলতা অথবা সংশয় থাকবে না বললেই চলে। এবং তাকিওন ইলেকট্রিক আমাদের বিশেষ সুবিধা রয়েছে যা আমরা এই বাইকটি ২ বছর পর্যন্ত বিনামূল্যে বিক্রয়োত্তর সেবা পেতে পারব।

Leave a Comment